Nilphamari District || নীলফামারী জেলা || 4k Video
মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ অবাঙালিদের (বিহারি) হামলায় সৈয়দপুর উপজেলার বেশ কয়েকজন নিরীহ বাঙালি প্রাণ হারায়। ৭ এপ্রিল পাকসেনারা এ উপজেলায় বাঙালিদের ওপর নির্যাতন চালায় ও হত্যা করে। ৮ এপ্রিল পাকসেনারা নীলফামারী জেলা শহরের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নিজেদের হাতে নেয়। মে মাসে রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকসেনারা কিশোরগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবীন্দ্রনাথ কুন্ডুকে ধরে নিয়ে ৮ দিন আটক রাখার পর হত্যা করে। ২৩ জুন সৈয়দপুরের গোলাহাটে পাকসেনারা ৩৫০ জন নিরীহ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করে। ১১ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের মোস্তাফিজুর রহমানকে পাকসেনারা ধরে নিয়ে হত্যা করে। ১৪ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জে পাকসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ১৬ ডিসেম্বর জলঢাকা পাকসেনা মুক্ত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন বধ্যভূমি ১ (গোলাহাট), গণকবর ৮, স্মৃতিস্তম্ভ ২ (সদর উপজেলার স্বাধীনতার স্মৃতি অম্লান ও বাশার গেট), ভাস্কর্য ১। এছাড়া তেভাগা আন্দোলনে নিহত তৎনারায়ণের স্মরণে ডিমলা বাজারে ‘তৎনারায়ণ স্মৃতিস্তম্ভ’ স্থাপিত হয়েছে।
শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৩৮.৮%; পুরুষ ৪৪.৭%, মহিলা ৩২.৬%। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: নীলফামারী সরকারি কলেজ (১৯৮৬), সৈয়দপুর মহাবিদ্যালয় (১৯৫৩), মশিউর রহমান কলেজ (১৯৫৮), সরকারি মহিলা কলেজ (১৯৭২), কিশোরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ (১৯৭২), জলঢাকা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় (১৯৭২), সৈয়দপুর মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় (১৯৮১), ডিমলা ইসলামী ডিগ্রি কলেজ (১৯৮৩), ডিমলা মহিলা বিদ্যালয় (১৯৯৮), নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮২), সৈয়দপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০৪), সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০৬), খগা খড়িবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০৬), খগা বড়বাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০৭), নাউতারা আবেউননেছা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১১), নীলফামারী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৪), তুলশীরাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৪), ডিমলা রাণী বৃন্দারাণী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৭), ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৯), মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২৩), জলঢাকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৯), কিশোরগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৯), নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৫), শিমুলবাড়ী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়, গোলমুন্ডা ফাজিল মাদ্রাসা (১৯১৯)।
No comments